No act of kindness, no matter how small, is ever wasted

Miran WordPress Website

লিডসে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড

admin
3rd, September, 2025

ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিতে না পেরে হার মানতে হলো ইংল্যান্ডকে। সে আবার নিজেদের ঘরের মাঠে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারল স্বাগতিক ইংলিশরা ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে। প্রোটিয়ারা জিতেছে ১৭৫ বল হাতে রেখে। এ জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আফ্রিকার দেশটি এগিয়ে গেল ১-০ তে।

বলের হিসাবে এটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় বড় ব্যবধানে জয়। সবচেয়ে বড় জয়টা ধরা দেয় বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে। ২০০৭ বিশ্বকাপে। জয়টা এসেছিল ১৮৪ বল হাতে রেখেই।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে আগে ব্যাট হাতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালোই ছিল। ওপেনার জেমি স্মিথের ফিফটিতে ১৭ ওভারেই দলীয় স্কোর ১০০ পেরিয়ে যায়। তবে স্মিথ (৫৪) ফিরতেই স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয়ে যায়। আর মাত্র ২৯ রান যোগ হতেই হারিয়ে ফেলে বাকি ৭ উইকেট। ইংল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১৩১ রানে।

ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ইংলিশদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ এটি। আর ৫০ বছরের মধ্যে লিডসের হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন দলীয় পুঁজি এটি। দলটির শেষ ছয় ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের দেখা পাননি।

এইডেন মার্করাম ৮৬ রানের ইনিংসে জয়ের ভিতটা গড়ে দেন। আরেক ওপেনার রায়ান রিকেলটন ৩১* রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ একাই ধসিয়ে দিয়েছেন কেশব মহারাজ। ৩৩ বলে ২২ রান খরচায় শিকার করেছেন ৪ উইকেট।

এটি ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো স্পিনারের সেরা বোলিং ফিগার। এত দিন রেকর্ডটা ছিল ইমরান তাহিরের দখলে। চেন্নাইয়ে ২০১১ বিশ্বকাপের ম্যাচে ইংলিশদের বিপক্ষে ৩৮ রানে ৪ উইকেট শিকার করেছিলেন তাহির।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ইংল্যান্ড: ১৩১/১০, ২৪.৩ ওভার (স্মিথ ৫৪, বাটলার ১৫, রুট ১৪; মহারাজ ৪/২২ ও ৩/৩৩)।

দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৩৭/৩, ২০.৫ ওভার (মার্করাম ৮৬, রিকেলটন ৩১*; আদিল ৩/২৬)।

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: কেশব মহারাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *